খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাড়ার লোকজন নদী পাড়ি দিয়ে পালাতে শুরু করল। গ্রামের দক্ষিণে কর্ণফুলী, পশ্চিমে ও উত্তরেও খাল-কর্ণফুলী পার হতে পারলে বাঁচা যাবে, এরকম বিশ্বাস নিয়ে সবাই পালাতে শুরু করল। কিন্তু মিলিটারির নদী পেরিয়ে ওপারে গেলে তারপর কি হবে, তারপর তো পাহাড়ের রাজ্য শুরু, যুদ্ধ আর কতদিন চলতে পারে, বঙ্গবন্ধু কোথায়, শত্রর বিরুদ্ধে অবরোধ টিকবে কিনা—সে সম্পর্কে কারো পরিষ্কার ধারণা নেই। সবাই একটা আপাত-ব্যবস্থা হিসেবে পাকিস্তানি বাহিনীর তোপের মুখ থেকে পালাতে শুরু করেছে।